ময়মনসিংহ সংবাদদাতা : ময়মনসিংহ-২-ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার বিরোধী দলের সাড়ে ৪ বছরে সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন না। কিন্তু দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই সাবেক এই সাংসদ হঠাৎ করেই মনোনয়নমুখী রাজনীতি শুরু করেছেন।
আন্দোলন ভুলে শাহ শহীদ সারোয়ারের মতো দলীয় অন্য ক্যান্ডিডেটদেরও মনোনয়ন নিয়ে কাড়াকাড়িতে দলীয় পরিমণ্ডলে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভাষ্যমতে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কি হবে না এ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সচেতন মহলেও রয়েছে এ নিয়ে নানা জল্পনা। কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারের ভিত কাঁপিয়ে তোলার পরিবর্তে জোরেশোরে নির্বাচনী গণসংযোগ সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না।
সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ-১-হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনে বিএনপি নিজেকে গোছাতে পারেনি। এখানে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে পারেননি বিএনপি’র ৩ প্রভাবশালী নেতা আফজাল এইচ.খান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর ও সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তারা ব্যস্ত নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে।
ময়মনসিংহ-৩-গৌরীপুর আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে তীব্র বিরোধ থাকলেও বিএনপি দাঁড়াতে পারছে না এই আসনে। রাজনীতিক ও সাবেক জনপ্রিয় সাংসদ এ.এফ.এম.নজমুল হুদার শূন্যতায় বিএনপিতে গ্রুপিং-কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করেছে।
এ আসন থেকেও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাফেজ আজিজুলসহ কোনো কোনো নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী। গত সাড়ে ৪ বছরে একদিনের জন্যই মাঠে সোচ্চার না হলেও হঠাৎ করেই নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুনে নির্বাচন করার ‘খায়েশ’ ব্যক্ত করেছেন— এমনই ক্ষুব্ধ মন্তব্য তৃণমূল নেতাকর্মীদের।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র দ্বিধাবিভক্তির মূলে রয়েছে ময়মনসিংহ-৪-সদর আসন। সংগঠনের সভাপতি সাবেক জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ.কে.এম.মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ দু’জনেই মনোনয়ন প্রত্যাশী। ব্যানার-ফেস্টুনের রাজনীতিতে অবশ্য এগিয়ে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সব সময়ই দলের চেয়ে মনোনয়ন রাজনীতিকে গুরুত্ব দিতে পটু সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। এ কারণে দল সুসংগঠিত হচ্ছে না বলেও মন্তব্য তাদের।
মুক্তাগাছায় বিএনপি ভুগছে নেতার সঙ্কটে। গত সংসদ নির্বাচনে ভোট রাজনীতির মাঠে ‘অপরিপক্ক’ ছোট ভাই জাকির হোসেন বাবলু ওরফে ক্লাসিক বাবলু ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন রাজনীতিতে নতুন মুখ কাজী খালিদ বাবু’র কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। এ অবস্থায় দলটির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে ফের এ আসনে মনোনয়ন দেবার জোর দাবি তুলেছেন।
ময়মনসিংহ-৬-ফুলবাড়িয়া আসনের সর্বত্রই নব্য রাজনীতিক আখতারুল আলম ফারুকের নির্বাচনী প্রচারণা চোখে পড়ে। আগে কখনো রাজনীতিতে ছিলেন না, অথচ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ব্যানার-ফেস্টুনের ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছেন। আন্দোলনের মাঠে তাকে কখনোই দেখা যায়নি, এমন অভিযোগ দলটির নেতা-কর্মীদের।
ময়মনসিংহ-৮-ঈশ্বরগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নুরুল কবির শাহীন হঠাৎ নির্বাচনমুখী রাজনীতি শুরু করেছেন। ঘটা করে ক্ষমতাসীন দলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েও ঈশ্বরগঞ্জে এ পর্যন্ত একটি কর্মসূচিও পালন করতে পারেননি তিনি। কিন্তু নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তার ‘এলাকাপ্রীতি’ অনেকের মাঝেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ময়মনসিংহ-১১-ভালুকা আসনে বিএনপিতে মনোনয়ন চাইছেন এক নতুন মুখ। কথিত আছে, মোর্শেদ আলম নামের এ প্রার্থী ‘টাকার কুমির’। ইতোমধ্যেই ভাগিয়ে নিয়েছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ, আর সেটা নেহায়েতই টাকার জোরে বলে মনে করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
সবমিলে ময়মনসিংহের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকাতেই দলীয়ভাবে অসংগঠিত অবস্থায় রয়েছে বিএনপি। তত্ত্বাবধায়কসহ নানা কেন্দ্রীয় ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা না দেখিয়ে এখন নির্বাচনী প্রার্থী হিসেবে নিজেদের প্রচার প্রচারণায় নেমে পড়েছেন দলটির অধিকাংশ নেতা।
সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
ময়মনসিংহের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকাতেই দলীয়ভাবে অসংগঠিত অবস্থায় রয়েছে বিএনপি
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা : ময়মনসিংহ-২-ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার বিরোধী দলের সাড়ে ৪ বছরে সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন না। কিন্তু দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই সাবেক এই সাংসদ হঠাৎ করেই মনোনয়নমুখী রাজনীতি শুরু করেছেন।
আন্দোলন ভুলে শাহ শহীদ সারোয়ারের মতো দলীয় অন্য ক্যান্ডিডেটদেরও মনোনয়ন নিয়ে কাড়াকাড়িতে দলীয় পরিমণ্ডলে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভাষ্যমতে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কি হবে না এ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সচেতন মহলেও রয়েছে এ নিয়ে নানা জল্পনা। কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারের ভিত কাঁপিয়ে তোলার পরিবর্তে জোরেশোরে নির্বাচনী গণসংযোগ সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না।
সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ-১-হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনে বিএনপি নিজেকে গোছাতে পারেনি। এখানে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে পারেননি বিএনপি’র ৩ প্রভাবশালী নেতা আফজাল এইচ.খান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর ও সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তারা ব্যস্ত নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে।
ময়মনসিংহ-৩-গৌরীপুর আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে তীব্র বিরোধ থাকলেও বিএনপি দাঁড়াতে পারছে না এই আসনে। রাজনীতিক ও সাবেক জনপ্রিয় সাংসদ এ.এফ.এম.নজমুল হুদার শূন্যতায় বিএনপিতে গ্রুপিং-কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করেছে।
এ আসন থেকেও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাফেজ আজিজুলসহ কোনো কোনো নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী। গত সাড়ে ৪ বছরে একদিনের জন্যই মাঠে সোচ্চার না হলেও হঠাৎ করেই নিজেদের ব্যানার-ফেস্টুনে নির্বাচন করার ‘খায়েশ’ ব্যক্ত করেছেন— এমনই ক্ষুব্ধ মন্তব্য তৃণমূল নেতাকর্মীদের।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র দ্বিধাবিভক্তির মূলে রয়েছে ময়মনসিংহ-৪-সদর আসন। সংগঠনের সভাপতি সাবেক জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ.কে.এম.মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ দু’জনেই মনোনয়ন প্রত্যাশী। ব্যানার-ফেস্টুনের রাজনীতিতে অবশ্য এগিয়ে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সব সময়ই দলের চেয়ে মনোনয়ন রাজনীতিকে গুরুত্ব দিতে পটু সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। এ কারণে দল সুসংগঠিত হচ্ছে না বলেও মন্তব্য তাদের।
মুক্তাগাছায় বিএনপি ভুগছে নেতার সঙ্কটে। গত সংসদ নির্বাচনে ভোট রাজনীতির মাঠে ‘অপরিপক্ক’ ছোট ভাই জাকির হোসেন বাবলু ওরফে ক্লাসিক বাবলু ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন রাজনীতিতে নতুন মুখ কাজী খালিদ বাবু’র কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। এ অবস্থায় দলটির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে ফের এ আসনে মনোনয়ন দেবার জোর দাবি তুলেছেন।
ময়মনসিংহ-৬-ফুলবাড়িয়া আসনের সর্বত্রই নব্য রাজনীতিক আখতারুল আলম ফারুকের নির্বাচনী প্রচারণা চোখে পড়ে। আগে কখনো রাজনীতিতে ছিলেন না, অথচ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ব্যানার-ফেস্টুনের ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছেন। আন্দোলনের মাঠে তাকে কখনোই দেখা যায়নি, এমন অভিযোগ দলটির নেতা-কর্মীদের।
ময়মনসিংহ-৮-ঈশ্বরগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নুরুল কবির শাহীন হঠাৎ নির্বাচনমুখী রাজনীতি শুরু করেছেন। ঘটা করে ক্ষমতাসীন দলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েও ঈশ্বরগঞ্জে এ পর্যন্ত একটি কর্মসূচিও পালন করতে পারেননি তিনি। কিন্তু নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তার ‘এলাকাপ্রীতি’ অনেকের মাঝেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ময়মনসিংহ-১১-ভালুকা আসনে বিএনপিতে মনোনয়ন চাইছেন এক নতুন মুখ। কথিত আছে, মোর্শেদ আলম নামের এ প্রার্থী ‘টাকার কুমির’। ইতোমধ্যেই ভাগিয়ে নিয়েছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ, আর সেটা নেহায়েতই টাকার জোরে বলে মনে করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
সবমিলে ময়মনসিংহের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকাতেই দলীয়ভাবে অসংগঠিত অবস্থায় রয়েছে বিএনপি। তত্ত্বাবধায়কসহ নানা কেন্দ্রীয় ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা না দেখিয়ে এখন নির্বাচনী প্রার্থী হিসেবে নিজেদের প্রচার প্রচারণায় নেমে পড়েছেন দলটির অধিকাংশ নেতা।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ভাংচুর অগ্নিসংযোগ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ভাংচুর অগ্নিসংযোগ
স্টার নিউজ রিপোর্ট »শিক্ষা
a
A
undefinedময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অডিটরিয়ামের নাম পরির্বতনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা এবং আগামী সুবর্ন জয়ন্তীতে ছাত্রলীগের একক আধিপত্য না থাকায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামলা ভাংচুর, বিক্ষোভ ও অগ্নি সংযোগ করেছে ছাত্রলীগ।
রবিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। জানাযায়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অডিটরিয়ামের নাম পরির্বতন ও সুর্বন জয়ন্তীকে দলীয় করনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সূর্বন জয়ন্তী বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও ড্যাব নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও এসব অভিযোগে সাবেক শিক্ষার্থী ও ড্যাব নেতৃবৃন্দ ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। এরপর বর্তমান মেডিকেল কলেজের প্রশাসন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অডিটরিয়ামের নাম পরির্বতন সিদ্ধান্ত স্থগিত করে সকলের অংশগ্রহনে সুবর্ন জয়ন্তী সফল করার লক্ষে সাবেক শিক্ষার্থী ও ড্যাব নেতৃবৃৃন্দের সাথে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় ছাত্রলীগ। ফলে গতকাল রবিবার দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অডিটরিয়ামের নাম পরির্বতন করে ছাত্রলীগ নেতা রাইসুল হাসান নোমান এর নামে নামকরন করার দাবীতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাংচুর করে ও ক্যাম্পাসে অগ্নিসংযোগ করে।
এ সময় তারা এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনিদিষ্টকালের র্ধমঘটের ডাক দেয় এবং বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সকল কার্যক্রম বন্ধ আছে বলে লিখিত ভাবে প্রেস রিলিজ প্রদান করে।
এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, সামনে সুবর্ন জয়ন্তীতে বিভিন্ন কমিটি উপ কমিটি হচ্ছে। এ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ কিছু দাবী দাওয়া রয়েছে। এর জের ধরেই তারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে এবং ২/১টি ফুলের টব ভাংচুর করেছে।
স্টার নিউজ ২৪ ডট কম/মনোনেশ দাস/ময়মনসিংহ
এই রিপোর্ট পড়েছেন 26 - জন
শিক্ষা, শীর্ষ নিউজ এর আরো খবর »
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান সেনা কর্মকর্তাদের
ঈদের আগেই আন্দোলনে নামছেন সরিষাবাড়ীর ৪ শতাধিক মাদরাসার শিক্ষক
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সমাবেশ কর্মসূচি স্থগিত
জাবিতে আন্দোলন স্থগিত, উপাচার্য মুক্ত
জাহাঙ্গীরনগরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ধর্মঘট
বৃহস্পতিবার থেকে চবিতে ঈদের ছুটি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট সভা, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম প্রসঙ্গে তোপের মুখে উপাচার্য
রাবিতে দুই ছাত্রলীগ নেতা আহত
মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে তরুণরাই বড় হাতিয়ার- শিক্ষামন্ত্রী
বরগুনা পলিটেকনিকে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষমনোনেশ দাস জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক পুণ:নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন
undefinedময়মনসিংহ প্রতিনিধি, ০৩ আগস্ট (বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম):- বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর গর্ব স্বনামধন্য গ্রামীণ সাংবাদিক মনোনেশ দাসকে জাতীয় নাগারক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পুন: নির্বাচিত করায় দলটির সভাপতি, গোপাল গঞ্জের কৃতি সন্তান শিল্পপতি ইজ্ঞিনিয়ার আলী আযম এবং মহাসচিব, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সম্পাদক স,আম,ম,ইলিয়াসকে শুভেচ্ছা জানান বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসী। আজ বুধবার বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর পক্ষে অভিনন্দন জানান, সাবেক জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী একে এম মোশাররফ হোসেন, প্রবীণ আইনজীবী এড,অনিল ঘোষ,অধ্যাপক আশিষ রায়,এড.আসলাম,অধ্যাপক শামছুল হক,সাংবদিক নজরুল ইসলাম, এড,এম মাহবুব আলম খান,ডা.জোøা মাহবুব খান.ডা.হাসান আলী খান, সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন সরকার, এড.স্বপন দে , সাবেকপিপি এড.আবুরেজা ফজলুল হক বাবলু,নান্দাইলের সাংবাদিক বাবুল এড.মকবুল হোসেন,ফুলবাড়িয়ায় সাংবাদিক কালাম , এড.শ্যাল দত্ত,ভালুকায় , সাংবাদিক কামরুজ্জামান মানিক,গফরগাঁওয়ের সাংবাদিক আতাউর রহমান মিন্টু,কামরুজ্জামান লিটন,ঈশ্বরগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা আঃহাই, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম,হালুয়াঘাটের অধ্যাপক মন্টু,অধ্যাপক সাংবাদিক শামছুল ইসলাম পনির,ফুলপুরের ব্যবসায়ী তপন রায়,সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম,ধোবাউড়ায় অধ্রাপক পরিমল দাস,সাংবাদিক মতিলাল সরকার,ত্রিশালে সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, মধুপুরের অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন,টাঙ্গাইলের অধ্যাপক উৎপল সিংহ,নেত্রকোনার সাংবাদিক শ্যমলেন্দু পাল, জামালপুওে এড.জয়ন্ত দেব,সাংবাদিক মেঅশাররফ হোসেন,আতাউর রহমান মিন্টু,কিশোরগঞ্জের সাংবাদিক সুবীর বসাক,শেরপুরের অধ্যাপক সুধাময় দাসপ্রমুখ। উল্লেখিতরা সাংবাদিক মনোনেশ দাসকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের কলম সৈনিক জন মানুষের নেতা মনোনেশ দাস আরও এগিয়ে যাক একামনা করি। মনোনেশ দাস বলেন, গণতন্ত্রেও নামে চলছে প্রহসন। বতৃমান রাজনৈতিক পদ্ধতিতে কোন নির্বচিত প্রতিনিধিই গণ মানুষের নিকট দায়বদ্ধ নয়। এতে জনগণ হতাশাগ্রস্থ।আর্থ সামাজিক , রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে বলিষ্ঠ দেশদরদী মেধাবী নেতৃত্বের।
Digg This
Reddit This
Stumble Now!
Buzz This
Vote on DZone
Share on Facebook
Bookmark this on Delicious
Kick It on DotNetKicks.com
Shout it
Share on LinkedIn
Bookmark this on Technorati
Post on Twitter
Google Buzz (aka. Google Reader)
ময়মনসিংহের গড় অঞ্চলের চাষীরা নিজ উদ্যোগেই লেবু ফলায়
ময়মনসিংহের গড় অঞ্চলের চাষীরা নিজ উদ্যোগেই লেবু ফলায়
ময়মনসিংহে হাতে তৈরী কাগজের সামগ্রী বিদেশে রপ্তানি
মুক্তাগাছার মৃৎশিল্পের কদর বেড়েছে
মুক্তাগাছার মৃৎশিল্পের কদর বেড়েছে
পিবিসি সাংবাদিক মনোনেশ দাস আহত
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)